কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬ এ ০২:৪৫ PM
কন্টেন্ট: পাতা
ডিজিটাল বাংলাদেশ হতে স্মার্ট বাংলাদেশে উত্তরণের রাষ্ট্রীয় অঙ্গীকার, টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (SDGs), ই-গভর্নেন্স বাস্তবায়ন এবং জনবান্ধব প্রশাসনিক ব্যবস্থা শক্তিশালীকরণের লক্ষ্যে সমাজসেবা কার্যালয়, তেজগাঁও সার্কেল, ঢাকা কর্তৃক নিম্নবর্ণিত প্রযুক্তিনির্ভর, বাস্তবভিত্তিক ও দীর্ঘমেয়াদি কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের উদ্যোগ বিবেচনাধীন রয়েছেঃ
সকল ভাতাভোগীর জন্য পর্যায়ক্রমে QR Code/NFC ভিত্তিক “স্মার্ট ভাতা কার্ড” চালুর উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে, যদি তা অধিদপ্তর কর্তৃক অনুমোদিত হয়। উক্ত কার্ডের মাধ্যমে—
নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
অত্র সার্কেলের সকল ভাতাভোগী, উপবৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থী, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি, নিবন্ধিত সংস্থা, অনুদানপ্রাপ্ত ব্যক্তি এবং সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতাভুক্ত নাগরিকদের তথ্য সমন্বয়ে একটি কেন্দ্রীয় ডিজিটাল ডাটাবেইজ তৈরি করা হবে।
ডাটাবেইজে নিম্নোক্ত তথ্য অন্তর্ভুক্ত থাকবে—
সেবাগ্রহীতাদের জন্য একটি “Citizen Service App” চালুর উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে, যার মাধ্যমে—
সুবিধা প্রদান করা সম্ভব হবে।
অফিসে একটি “One Stop Digital Service Desk” স্থাপন করা হবে, যেখানে সেবাগ্রহীতারা একই স্থানে—
ইত্যাদি সেবা গ্রহণ করতে পারবেন।
ভাতা ও সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির শতভাগ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে—
ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।
অফিসের সকল দাপ্তরিক কার্যক্রম ধীরে ধীরে সম্পূর্ণ ডিজিটাল ব্যবস্থাপনায় রূপান্তর করা হবে। এর আওতায়—
চালুর উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।
সেবাগ্রহীতাদের অভিযোগ দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য—
চালুর উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।
অফিস ব্যবস্থাপনায় প্রযুক্তিনির্ভর স্বচ্ছতা নিশ্চিতকল্পে—
ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।
প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য—
চালুর উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।
তেজগাঁও স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানের সাথে সমন্বয় করে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য একটি Digital Referral System গড়ে তোলা হবে, যাতে রোগী অনলাইনে স্বাস্থ্যসেবা রেফারেল ও সহায়তা পেতে পারেন।
ডুপ্লিকেট উপকারভোগী, মৃত ব্যক্তি, অনিয়ম বা তথ্যগত অসামঞ্জস্যতা শনাক্তকল্পে পর্যায়ক্রমে Data Analytics ও AI-based Risk Screening পদ্ধতি ব্যবহার করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।
সকল উপকারভোগীর সাথে সরাসরি যোগাযোগ নিশ্চিত করতে—
চালু করা হবে।
অফিসে—
নিশ্চিত করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।
দুর্যোগ, অগ্নিকাণ্ড, চিকিৎসা জরুরি অবস্থা বা মানবিক সংকটে দ্রুত সহায়তা সমন্বয়ের জন্য একটি Emergency Social Response Cell গঠন করা হবে।
মাঠপর্যায়ের তথ্য, ডিজিটাল রিপোর্টিং, ডাটাবেইজ বিশ্লেষণ ও বাস্তব পরিস্থিতির আলোকে Evidence-based Decision Making পদ্ধতি অনুসরণ করা হবে।
সেবাগ্রহীতাদের মতামত গ্রহণের জন্য—
চালুর উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।